উত্তর : অজুতে ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সুন্নাত। তাই আগ পিছ করে অজু করলেও অজু হয়ে যাবে। তবে উত্তম হচ্ছে ধারাবাহিকতা রক্ষা করা।
ইমাম মুহাম্মাদ রহ. বলেন,
ووضوئه تام، ولكن أفضل ذلك أن يبتدئ بيده، ثم بوجهه، ثم بذراعيه، ثم يمسح برأسه، ثم يغسل قدميه.
কিতাবুল আছল: ১/২৪; আল ফিকহুন নাফি’ : ১/৮৭; আল বাহরুর রায়েক : ১/৫৪; বাদাইয়ুস সানাই : ১/৯১; তুহফাতুল মুলূক : ২৬; ফাতহুল কাদীর : ১/৩৪; ...বিস্তারিত
প্রশ্ন : অনেক সময় মশা-মাছি গায়ে বা বিছানায় বসে। তার মধ্যে থাকা রক্ত গায়ে, কাপড়ে, বিছানায় লেগে যায়। আমার জানার বিষয় হল, সেগুলো কি নাপাক? সেগুলো নিয়ে নামাজ পড়লে কি নামাজ সহীহ হবে?
উত্তর : মশা, মাছি, ছারপোকা এবং মাছের রক্ত নাপাক নয়। তাই এগুলো গায়ে কিংবা কাপড়ে লাগলে তা পরিষ্কার করা আবশ্যক নয় এবং নামাজ হয়ে যাবে। কিন্তু যেহেতু এগুলো ময়লার অন্তর্ভুক্ত সেহেতু ধুয়ে নেওয়া উত্তম। বিশেষ করে নামাজের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কাম্য।
ইমাম মুহাম্মাদ রহ. ...বিস্তারিত
প্রায় সময় একে অপরকে রক্ত দেই। আমার প্রশ্ন হলো, সিরিঞ্জ দিয়ে রক্ত দিলে কি ওযু ভেঙে যায়? অথবা টিস্যু, কাপড় ইত্যাদি দিয়ে রক্ত শুষে নিলে অজু ভেঙ্গে যায়?
উত্তর : হাঁ, গড়িয়ে পড়া পরিমাণ রক্ত সিরিঞ্জ দিয়ে বের করলে ওযু ভেঙ্গে যাবে। তাই বর্তমানে যে পদ্ধতিতে অসুস্থ ব্যক্তিকে রক্ত দেওয়া হয় তাতে অজু ভেঙ্গে যায়। এমনিভাবে টিস্যু, কাপড় ইত্যাদি দিয়ে রক্ত শুষে নিলেও অজু ভেঙ্গে যায়। অর্থাৎ রক্তের পরিমাণ যদি এমন হয় যে, ...বিস্তারিত
কবুতর, হাঁস, মুরগির বিষ্ঠা পাক কি না?
প্রশ্ন – ০১ : আমরা প্রায় সময় একে অপরকে রক্ত দেই। আমার প্রশ্ন হলো, সিরিঞ্জ দিয়ে রক্ত দিলে কি ওযু ভেঙে যায়? অথবা টিস্যু, কাপড় ইত্যাদি দিয়ে রক্ত শুষে নিলে অজু ভেঙ্গে যায়?
উত্তর : হাঁ, গড়িয়ে পড়া পরিমাণ রক্ত সিরিঞ্জ দিয়ে বের করলে ওযু ভেঙ্গে যাবে। তাই বর্তমানে যে পদ্ধতিতে অসুস্থ ব্যক্তিকে রক্ত দেওয়া হয় তাতে অজু ভেঙ্গে যায়। এমনিভাবে টিস্যু, ...বিস্তারিত
তাসবীহ-তাহলীল পাঠ কিংবা যিকর করার সময় তসবিহ ব্যবহারের অনুমতি রয়েছে, বরং শরীয়ত অনুসারে এটি একটি উত্তম বিষয়। কারণ এটি আল্লাহ তা’আলার যিকর করার একটি মাধ্যম। উত্তম কাজ করার ক্ষেত্রে যে মাধ্যম ব্যবহার করা হয় তার ওপর সেই উত্তম কাজের বিধান আরোপিত হয়। সেজন্য কোনো উত্তম কাজ আদায়ের মাধ্যমও উত্তম হিসেবে বিবেচিত হয়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এটি অনুমোদন করেছেন এবং সাহাবা ও তাবেঈনদের মধ্যেও বিনা আপত্তিতে এটির চর্চা বিদ্যমান ছিল। যারা এটিকে বিদআত বলে দাবি করে, ...বিস্তারিত
মহানবী (সা.) এর স্বপ্ন
সিরাজুল ইসলাম ফারুকী
মানুষ নিদ্রিত অবস্থায় অন্তর চক্ষুযোগে যা কিছু দেখে তাই স্বপ্ন। মানুষ জাগ্রত অবস্থায় যা চিন্তা করে সে সকল
ঘটনাবলিও স্বপ্নে দেখে বা শয়তানের পক্ষ হতে ভয় ভীতি প্রদর্শনের জন্য স্বপ্ন দেখে অথবা আল্লাহ পাকের তরফ হতে পথপ্রদর্শনের জন্যও স্বপ্ন দেখে। স্বপ্ন তিন প্রকার। যথা:
প্রথমত: আদম সন্তানকে চিন্তিত ও আতঙ্কিত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে স্বপ্নের মাধ্যমে মানুষের স্মৃতিপটে ভয়াবহ ঘটনাবলি জাগিয়ে দেওয়া, ...বিস্তারিত