-আবদুল আউয়াল ঠাকুর
আজকের সমাজের দিকে যদি তাকানো যায় তাহলে যে কেউ বলবেন অবস্থা ভাল নয়। কেন ভালো নেই সেকথা নিয়ে হয়তো মতৈক্য প্রতিষ্ঠায় সময় লাগবে তবে সমাজকে সঠিক পথে পরিচালনা যে জরুরী এ ব্যাপারে কোন মহলের বিন্দুমাত্র দ্বিমত নেই। সে বিবেচনায় এ ভাবনাও জরুরী যে সমাজ বলতে আমরা আসলে কী বুঝি এবং সমাজে আসলে কী ভেঙ্গেছে। সাধারণত একটি কাঁচপাত্র ভাঙ্গলে আমরা যে শব্দ শুনতে পাই তা অন্যকেও জানান দেয় যে একটা কিছু ভেঙ্গেছে। মানুষ সমাজবদ্ধ জীব। সমাজের ভালোমন্দ সব কিছুই তাকে প্রভাবিত করে, ...বিস্তারিত
-আফতাব চৌধুরী
বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মহান চরিত্রের অধিকারী, সুন্দর ও মার্জিত স্বভাবের প্রতিচিত্র। মহানবী (সা.) এর চরিত্র সকলের জন্যে নমুনা ও আদর্শ চরিত্র। এ প্রসঙ্গে আল কুরআনুল কারীমে ইরশাদ হয়েছে: ‘‘আর আপনি তো মহান চরিত্রে অধিষ্ঠিত। (সূরা আল কালাম: ৪)
মহানবী (সা.) বলেন- শিষ্টাচার, মার্জিত আচরণ ও উত্তম চরিত্রসমূহের সমাপন ও পরিপূরণের উদ্দেশ্যে আমি প্রেরিত হয়েছি। বিশ্বনবী (সা.) এর চরিত্র হচ্ছে কোমল, উদার, অতিসুন্দর। কর্কশ, কঠিন ও শিষ্টাচারবর্জিত ব্যবহার মহানবী (সা.) থেকে প্রকাশ পায়নি। পরনিন্দা, ...বিস্তারিত
মুহাম্মদ মঈন উদ্দিন
الحمد لله رب العالمين والصلاة والسلام على اشرف الانبياء والمرسلين، وعلى اله وصحبه ومن تبعهم الى يوم الدين-
আহলে বায়ত অর্থ পরিবারের সদস্যবৃন্দ। আমাদের প্রাণপ্রিয় নবী রাহমাতুল্লিল আলামীন, সায়্যিদুল মুরসালীন হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা, আহমদ মুজতাবা (সা.) এর পুণ্যবতী সহধর্মিনীগণ, তাঁর সন্তানাদি ও সম্ভ্রান্ত খান্দান ‘বনূ হাশিম’ যাদের উপর যাকাত গ্রহণ করা হারাম সাব্যস্ত করা হয়েছে তাঁরা এবং তাঁদের বংশধরগণই ‘আহলে বায়তে রাসূল’ অথবা ‘আহলে রাসূল’ নামে পরিচিত। আহলে বায়ত কারা এ সম্পর্কে উলামায়ে কিরামের তিনটি মতের মধ্যে এ মতই সর্বাধিক প্রসিদ্ধ ও গ্রহণযোগ্য।
এ মতের সমর্থনে যে সকল দলীল রয়েছে তার কয়েকটি সংক্ষেপে আলোচনা করছি।
১. ...বিস্তারিত
—আল্লামা ইমাদ উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী
আল্লামা সামহুদী ‘ওফাউল ওফা’ গ্রন্থে লিখেছেন, আমার বন্ধু আলী ইবনু ইবরাহীম বুসিরী বর্ণনা করেন, আমি আব্দুস সালাম ইবনু আব্দুল কাছিম আস সাকলীর নিকট থেকে শুনেছি, তিনি বলেন আমার নিকট একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র শহর মদীনা শরীফে অবস্থান করছিলাম। আমার নিকট কোন সম্পদ না থাকায় দুর্বল হয়ে পড়লাম। অবশেষে হুজরা শরীফের নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, ইয়া সায়্যিদাল আউয়ালীন ওয়াল আখিরীন, ...বিস্তারিত
-হাসান আহমদ
দ্বীনি তাহযীব-তামাদ্দুন প্রতিষ্ঠায়, তালিম-তরবীয়ত প্রচারে, শিক্ষা-দীক্ষা ও ইসলামী হুকুম-আহকাম সমাজে কায়েম করতে মুসলিম উম্মার ১৪০০ বছরের ইতিহাসে যাদের অবদান সবচেয়ে বেশি তাঁরা হচ্ছেন উলামায়ে কেরাম ও পীর-মাশায়েখ। যাঁরা তাঁদের জীবনের বেশিরভাগ সময় নিরলস সংগ্রাম ও নীরব সাধনায় মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ ও সংশোধনের জন্য বিলিয়ে দিয়েছেন। অতীত থেকে বর্তমান পর্যন্ত পৃথিবীর প্রায় প্রত্যেকটি স্থানে তাঁদের ত্যাগ-সাধনা ও মেহনতের ফলে ইসলামের আলো ছড়িয়ে পড়েছে এবং তা এখনো বিদ্যমান রয়েছে। পৃথিবীর যেখানেই মুসলিম উম্মাহর জাগরণ ও পুনরুত্থান পরিলক্ষিত হয় সেখানেই এর নেপথ্যে আলেম-ওলামা ও পীর মাশায়েখদের অবদান সবচেয়ে বেশি থাকে। যারা আড়ালে অবস্থান করে নীরবে-নিভৃতে একেবারে তৃণমূল থেকে শীর্ষ পর্যায় পর্যন্ত দ্বীনী তা’লীম-তরবিয়ত, ...বিস্তারিত
মূল: হযরত আল্লামা ফুলতলী ছাহেব কিবলাহ (র.)
অনুবাদ: মাওলানা মুহাম্মদ হুছামুদ্দীন চৌধুরী
রাসূলুল্লাহ (সা.) এর মুবারক শরীরের পরশে যে কল্যাণ অর্জন হয় এ ব্যাপারে সার কথা হলো, যেই বস্তু রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর শরীর মুবারক স্পর্শ করেছে সেই বস্তুর উপর দুযখের আগুন হারাম হয়ে যায়। এ সত্যের অনুকূলে দু’একটা দলীল পেশ করা হলো।
.
সাওয়াদ ইবনু আমর আনসারী (রা.)
বদরের যুদ্ধে যখন যোদ্ধাদেরকে সারিবদ্ধ করা হচ্ছিল তখন হযরত সাওয়াদ ইবনু আমর আনসারী (রা.) যুদ্ধে শাহাদাত বরণ করার আকাঙ্ক্ষায় সারি থেকে একটু এগিয়ে গিয়েছিলেন। রাসূলুল্লাহ (সা.) এক খন্ড কাঠ দ্বারা ধাক্কা দিয়ে তাঁকে পিছনে সরিয়ে দিয়েছিলেন। তিনি সাহাবায়ে কিরামদের মধ্যে বেশি কৌতুক প্রিয় ছিলেন। এ ধাক্কা খাওয়ার পর তিনি বলতে লাগলেন-ইয়া রাসূলাল্লাহ (সা.), ...বিস্তারিত
ইমাদ উদ্দীন
‘আহলুল বাইত’ পরিভাষাটি ব্যবহার হয় নবী পরিবারকে বুঝাতে। ‘আহলুল বাইত’ দ্বারা উদ্দেশ্য উম্মাহাতুল মুমিনীন তথা রাসূল ﷺ এর জীবনসঙ্গীনীগণ, নবী তনয়া ফাতিমা (রা.), হযরত হাসান ও হুসাইন (রা.)। পাশাপাশি হযরত আব্বাস, হযরত আলী, হযরত জাফর ও হযরত আকিল (রা.) এবং প্রত্যেকের বংশধরও এর অন্তর্ভূক্ত। কুরআন-হাদীসে আহলুল বাইতকে সম্মান প্রদান, ...বিস্তারিত
মূল: শাহ আবদুল হক মুহাদ্দিসে দেহলভী (র.)
অনুবাদ : মাওলানা মুমিনুল হক
হুযুর আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নূরানী চেহারা মোবারক জামালে এলাহীর দর্পন ও অসীম নূরের বহিঃপ্রকাশের আধার। বুখারী ও মুসলিম শরীফে হযরত বারা ইবনু আযিব (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) মানবকুলের মধ্যে সর্বাধিক সুন্দর ও কমনীয়। হযরত আবূ হুরায়রা (রা.) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) এর চেয়ে সুন্দর কোনো কিছুই আমার দৃষ্টিগোচর হয়নি। হযরত আবূ হুরায়রা (রা.) তাঁর বক্তব্যে ‘কোনো কিছুই দেখিনি’ কথাটি উল্লেখ করেছেন। তিনি কিন্তু কোনো মানুষকে দেখিনি অথবা কোনো পুরুষকে দেখিনি-এরূপ বলেননি। তাঁর বর্ণনার মধ্যে অধিক ব্যাপকতা রয়েছে। নবী করীম (সা.) এর আঙ্গিক সৌন্দর্য বোঝানোই তাঁর উদ্দেশ্য। মোটকথা, ...বিস্তারিত
মোহাম্মদ নজমুল হুদা খান
সায়্যিদ আহমদ শহীদ বেরলভী (র.) উপমহাদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে এক ব্যতিক্রমী ব্যক্তিত্ব। তিনি ছিলেন একাধারে ‘রুহবানুল লাইল ওয়া ফুরসানুন নাহার’-রাতের তাপস আর দিনের ঘোড় সওয়ার (মুজাহিদ)। তিনি জীবনের মূল্যবান সময়কে দীন ইসলামের জন্য কুরবান করে গেছেন। উপমহাদেশে ইলমে নববী তথা ইলমে দীনের সার্থক উত্তরাধিকার ও যথাযথ প্রচারক শাহ ওয়ালীউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলভী (র.)-এর সুযোগ্য ছাহেবজাদা ও খলীফা হযরত শাহ আব্দুল আযীয মুহাদ্দিসে দেহলভী (র.)-এর স্নেহধন্য শাগরিদ ও খলীফা হিসেবে তিনি যে সংস্কার ও বিপ্লব সাধন করে গেছেন এর কোনো তুলনা হয় না। কিন্তু দু:খজনক হলেও সত্য যে, ...বিস্তারিত
মাওলানা আহমদ হাসান চৌধুরী
মাহে রামাদান ঈমানদারদের জন্য আল্লাহর পক্ষ হতে বিশেষ উপহার। এ মাসে বান্দাহ আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের মহান সুযোগ লাভে ধন্য হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, তোমাদের উপর রোযা ফরয করা হয়েছে, যেভাবে তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর ফরয করা হয়েছিল, যাতে তোমরা মুত্তাকী হতে পারো। (সূরা বাকারা, আয়াত-১৮৩)
এ মাসে মানুষ যাতে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে সক্ষম হয় এজন্য কুদরতী ব্যবস্থাপনা কাজ করে। যেমন হাদীসে এসেছে দুষ্ট শয়তানকে এ মাসে বন্দি করে রাখা হয়। (সুনানে ইবনে মাজাহ,
...বিস্তারিত