রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দীদার

 

-মাওলানা মো. ইমাদ উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী

আউলিয়ায়ে কিরামের মধ্যে অনেকে জাগ্রত অবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দীদার লাভ করেছেন। এর বিস্তারিত বিবরণ ইমাম জালাল উদ্দিন সুয়ূতী (র.) প্রণীত ‘আল হাওয়ী লিল ফাতাওয়া’ এর মধ্যে রয়েছে। নিদ্রাবস্থায় দীদার লাভ সম্পর্কে এখানে সংক্ষেপে আলোচনা করলাম।

عَنْ اَنَسٍ رَضِىَ اللهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ رَاٰنِىْ فِى الْمَنَامِ فَقَدْ رَاٰنِىْ فَاِنَّ الشَّيْطَانَ لَا يَتَخَيَّلُ بِىْ.

-হযরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত,  ...বিস্তারিত

 

মানবিক গুণাবলীর পরিপূর্ণতা

-ড. আ ফ ম আবূ বকর সিদ্দীক

কোন মানুষের জীবন যতই ঐতিহাসিক হোক না কেন, যতক্ষণ না তার মধ্যে মানবিক গুণাবলী পরিপূর্ণতা লাভ করে ততক্ষণ তা আমাদের জন্য আদর্শ হতে পারে না। আর কোন জীবনের পূর্ণাঙ্গ মানবিক গুণাবলীর সমাবেশ এবং তা সব কিছু থেকে ত্রæটিমুক্ত তখনই প্রমাণিত হতে পারে, যখন তার সমস্ত অংশ আমাদের সামনে থাকে।
স্মর্তব্য যে, ইসলামের নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত তাঁর সময়ের লোকদের সামনে ছিল এবং তাঁর ওফাতের পর বিশ্ব ইতিহাসের পাতায় তা পুরোপুরি সংরক্ষিত আছে। তাঁর জীবনে সামান্যতম অংশ এমন নেই যে,  ...বিস্তারিত

 

সমগ্র মানবজাতির জন্য অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব হযরত মুহাম্মদ (সা.)

-অধ্যাপক ড. এম. শমশের আলী

সমসাময়িক বিশ্ব-ঘটনাবলীর দিকে যেই তাকাবে সেই লক্ষ্য করবে যে, পেশী-শক্তির উপরে যুক্তির প্রাধান্য বিরাজ করছে না, আমাদের মূল্যবোধ ইতোমধ্যেই ক্ষয় পেতে শুরু করেছে, আর আমাদের এমন কোন নেতা নেই যার  উপর আমরা ভরসা করতে পারি। আমরা একটি সংকটের মধ্যে আছি। বর্তমান পরিস্থিতি একজন লোকের কথা মনে করিয়ে দেয় যিনি এই গানটি লিখেছিলেন, “Where have all the flowers gone, long long time ago?” এই লোকটি যদি আজ বেঁচে থাকতেন তাহলে উনি আরো একটি গান গাইতেন,  ...বিস্তারিত

 

হাদীসের আলোকে প্রিয়নবী (সা.)-এর মর্যাদা


মূল: আল্লামা ইউসুফ ইবনে ইসমাঈল আন-নাবহানী
অনুবাদ: মোহাম্মদ নজমুল হুদা খান

সকল প্রশংসা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের। সালাত ও সালাম আমাদের সরদার সায়্যিদুল মুরসালীন হযরত মুহাম্মদ (সা.), তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবায়ে কিরাম সকলের প্রতি।
নিশ্চয় রাসূলুল্লাহ (সা.) সাধারণভাবে বিনয়ীদের সরদার ছিলেন। এ সম্পর্কে তাঁর থেকে অনেক হাদীস বর্ণিত হয়েছে। এতদসত্ত্বেও তাঁর স্বীয় মর্যাদা সম্পর্কে অনেক বর্ণনাও এসেছে। এগুলো মূলত দ্বীনেরই অংশ, যা তাঁর জন্য প্রচার করা আবশ্যক ছিল এবং গোপন করা বৈধ ছিল না,  ...বিস্তারিত

 

রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর পুণ্যাত্মা সহধর্মিনীগণ

শায়খুল হাদীস আল্লামা হবিবুর রহমান

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তদীয় এগারো জন পুণ্যাত্মা সহধর্মিনীর সাথে ঘর সংসার করেছেন বলে প্রমাণিত আছে। তাঁদের মধ্যে দুজন ছাড়া বাকী সবার কবর মদীনা শরীফ জান্নাতুল বাকীতে অবস্থিত। হযরত খাদীজা রাদিয়াল্লাহু আনহার কবর মক্কা শরীফের জান্নাতুল মুআল্লায়। আর হযরত হযরত মায়মুনা রাদিয়াল্লাহু আনহার কবর মক্কা শরীফ থেকে মদীনা শরীফ যাবার পথে সারিফ নামক উপত্যকায় অবস্থিত। এ স্থানটির বর্তমান নাম নাওরিয়্যা, যা মক্কা শরীফ থেকে হিজরাহ রোড ধরে মদীনা শরীফে যাবার পথে জুমমুম যাবার আগে অবস্থিত। নিম্নে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর এগারো জন পুণ্যাত্মা সহধর্মিনী সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোকপাত করা হলো।

১.  ...বিস্তারিত

 

রওদ্বায়ে আতহার যিয়ারতের আদব

-মাওলানা ছালিক আহমদ (রহ.)

রহমতে আলম, সায়্যিদে কাওনাইন, নূরে মুজাস্সাম, তাজদারে মদীনা, মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যিয়ারত মু’মিন নর-নারীর জীবনে বড়ই সৌভাগ্যের বিষয়, দুনিয়া ও আখিরাতের শান্তি কল্যাণ লাভের সর্বশ্রেষ্ঠ মাধ্যম, আল্লাহ তাআলার নৈকট্যলাভ এবং পরকালে রাসূলের শাফাআত লাভের গ্যারান্টি। হুযূরে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একাধিক হাদীসের মাধ্যমে তাঁর যিয়ারতের প্রতি আমাদেরকে উদ্ধুদ্ধ করেছেন। যেমন-

من زار قبرى وجبت له شفاعتى

অর্থ: যে আমার কবর যিয়ারত করবে তার জন্য আমার শাফাআত অবধারিত হয়ে যাবে। (দার কুতনী,  ...বিস্তারিত

 

রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সংস্পর্শ প্রাপ্তির বরকত

 আবূ নছর মুহাম্মদ কুতুবুজ্জামান

সায়্যিদুল মুরসালীন, রাহমাতুল্লিল আলামীন মুহাম্মদুর রাসূলুল্লাহ (সা.) যেমন ছিলেন আল্লাহ তাআলার সকল রহমত বরকত ও নিআমতের উৎস, সেরূপ তাঁর পরশে ধন্য ও সংশ্লিষ্ট বস্তু, স্থান ও সময়ও বরকতময়। এ বৈশিষ্ট্য জগতে প্রেরিত আল্লাহর সকল নবী-রাসূলগণের মধ্যে বিরাজমান ছিল। তাঁদের সংস্পর্শে অনুরূপ বরকত লাভ করেছে বহুজিনিস। এটি তাঁদের প্রতি আল্লাহ প্রদত্ত সুমহান মর্যাদার প্রতিফলন। নবী-রাসূলগণে বিশ্বাসী উম্মতগণ তথা সালফে সালিহীনের চিন্তাধারায় এ বিষয়টির ইতিবাচক বিশ্বাসই বিদ্যমান। উক্ত বিষয়টি অজস্র দলীল প্রমাণ দ্বারা সাব্যস্ত ও বাস্তবতার আলোকে অনস্বীকার্র্য হওয়া সত্বেও ইসলামের সঠিক আদর্শ থেকে বিপথগামী বিভ্রান্ত ওয়াহাবী ফিরকার নিকট এটি অসহনীয় ও অগ্রাহ্য। তারা নবী-রাসূলগণের সংস্পর্শপ্রাপ্ত কতিপয় বস্তুর বরকত অত্যন্ত ঠেকাবশতঃ স্বীকার করে নিলেও সংস্পর্শপ্রাপ্ত ও স্মৃতিবিজড়িত স্থানের বরকতময় হওয়াকে সম্পূর্ণরূপে অযৌক্তিকভাবে অস্বীকার করে থাকে। তারা এসব বিষয়কে বরকতময় মনে করাতো দূরের কথা,  ...বিস্তারিত

 

যুহুরে নবুওয়াতপূর্ব তাঁর জীবনও আমাদের জন্য অনুসরণীয়

-মাওলানা জ. উ. ম. আব্দুল মুনঈম

সৃষ্টিকুলের সেরা জীব মানব জাতির বিস্তৃতির পাশাপাশি তাদের সুসভ্য জীবন যাপন, সর্বোপরি আল্লাহর বান্দাহ হিসেবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দুনিয়ার শান্তি ও আখিরাতের নাজাতের পথ নির্দেশক হিসেবে আল্লাহ তাআলা যুগে যুগে নবী রাসূল পাঠিয়েছেন। যারা ছিলেন সমকালীন সম্ভ্রান্ত বংশীয়, পরিপূর্ণ মানবিক গুণে গুণান্বিত, উন্নতর চারিত্রিক গুণে ভূষিত, সামগ্রিক কদর্যতা মুক্ত। তারা শৈশবকাল থেকেই এমন পরিচ্ছন্ন জীবন যাপন করেছেন যে তাঁদের অর্জিত স্বভাব চরিত্রই সর্বমহলে তাদেরকে শ্রদ্ধার পাত্র, প্রিয় এবং অনুসরণীয় করেছিল। আল্লাহ তাআলা কুদরতী বিশেষ তত্ত্বাবধানে তাঁদেরকে পরিচালিত করেছেন। শ্রেষ্ঠ নবী,  ...বিস্তারিত

 

রাসূলুল্লাহ (সা.) এর জন্ম ও বংশ মর্যাদা আলোচনা


মুফতী মাওলানা মোঃ গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী ফুলতলী

নবীগণকে খাটো করে দেখা, তাঁদের সম্মানকে হেয় দৃষ্টিতে দেখা কাফির-মুশরিকদের স্বভাব ছিল, যার অনেক প্রমাণ কুরআন কারীমে আছে। কুরআনে কারীমের যে আয়াতেই নবীগণকে কোন বৈশিষ্ট্য ছাড়া কেবল বাশার (মানুষ) বলা হয়েছে, দেখা যায় সেটি মূলত কাফিরদের উক্তি ছিল, যা আল্লাহ তাআলা উদ্ধৃতি হিসাবে কুরআন কারীমে বর্ণনা করেছেন। এ প্রসঙ্গে বর্ণিত কয়েকটি আয়াত নিম্নে পেশ করা হল-
(১) قَالُوا مَا أَنتُمْ إِلاَّ بَشَرٌ مِّثْلُنَا -তারা বলল তোমরাতো আমাদের মতো মানুষ। (সূরা ইয়াছিন),  ...বিস্তারিত

 

রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর জন্ম ও সংশ্লিষ্ট ঘটনা

মূল: হযরত মাওলানা কারামত আলী জৌনপুরী (র.)
অনুবাদ: মাওলানা শাহ মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ

রাসূলুল্লাহ (সা.) এর জন্ম তারিখ
সকল সীরাতকার ও ঐতিহাসিকগণ এ কথার উপর একমত হয়েছেন যে, হাতীর অধিপতি আবরাহা বাদশার ঘটনার বৎসর, ঘটনার মাত্র ৪০ অথবা ৫৫ দিন পর নূরনবী (সা.) দুনিয়াতে তাশরীফ এনেছিলেন। এটিই সর্বাধিক বিশুদ্ধ মত। তাঁর জন্ম তারিখ সম্বন্ধে কিছুটা মতভেদ থাকলেও ১২ রবিউল আউয়াল সোমবার সুবহে সাদিকের সময় তিনি ভূমিষ্ঠ হয়েছেন, এটি অতি প্রসিদ্ধ মত এবং এর জনশ্রুতি অত্যধিক। উপরন্তু এ তারিখই মক্কাবাসীদের নিকট বিশেষ প্রচলিত। তাঁরা উক্ত ১২ই তারিখের মুস্তাহাব আমল হিসাবে প্রিয় নবী মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর জন্মস্থান পরিদর্শন করে থাকেন। রাত্রে মীলাদ শরীফ পাঠ করা ও এর আদব রক্ষা করা তাঁদের নিকট একটি অতি প্রিয় ও অত্যধিক সুপ্রচলিত আমল।

জন্ম সংশ্লিষ্ট ঘটনা
হযরত আমিনা বলেন,  ...বিস্তারিত

 
  • জনপ্রিয়
  • সাম্প্রতিক

নির্বাচিত

Don`t copy text!