৪৫০ বছর আগের হাতের লেখা পবিত্র কুরআন শরিফের একটি কপি পাওয়া গেছে। তুরস্কের কারাপিনা জেলার কনিয়ায় অবস্থিত ঐতিহাসিক সুলতান সেলিম মসজিদে ।
ডেইলি সাবাহর মাধ্যমে একটি খবরসম্প্রতি এটি প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে বলা হয়েছে, উসমানী সুলতান দ্বিতীয় সেলিম কর্তৃক উপহার দেওয়া এই কুরআন শরিফে ১০ পারা লেখা রয়েছে।
কারাপিনার মুফতি ইউনুস আয়দিন আনাদোলু ডেইলি সাবাহকে জানান, পবিত্র কুরআনের হাতে লেখা সংস্করণ আবিষ্কারের ঘটনায় তারা অত্যন্ত আনন্দিত। যে মসজিদ থেকে পবিত্র কুরআনের কপিটি পাওয়া গেছে, ...বিস্তারিত
সাত কারী ও চৌদ্দ রাভী : সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
মাওলানা জ.উ.ম. আব্দুল মুনঈম
প্রিয় নবীজী (সা.) ইলমে কিরাআত হাসিল করলেন রাব্বুল আলামীনের কাছ থেকে। সাহাবায়ে কিরাম হাসিল করলেন নবী করীম (সা.) থেকে। তাঁদের কাছ থেকে তাবিঈনে ইযাম, এমনি করে ইলমে কিরাত আসতে থাকল আমাদের যামানার দিকে। ভারত উপমহাদেশ বড়ই সৌভাগ্যবান এজন্য যে, আরবী ভাষার কুরআন শরীফ আলাহ প্রদত্ত নিয়মে নবী করীম (সা.) যেভাবে তিলাওয়াত করতেন তারই অনুসৃত নিয়মে তিলাওয়াত পারঙ্গম এক প্রদীপ ইলমে কিরাআতের আলোয় উজ্জল করে গেলেন এ উপমহাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল। আলাহ প্রদত্ত এ মহান নিয়ামত হচ্ছেন উস্তাদগণের উস্তাদ, ...বিস্তারিত
আহলে কুরআন ও কুরআন তিলাওয়াতের ফদ্বীলত
মূল: হযরত আলামা ফুলতলী ছাহেব কিবলাহ (র.)
অনুবাদ: মুহাম্মদ হুছামুদ্দীন চৌধুরী
হযরত সাঈদ (রা.) বর্ণনা করেন, রাসূলুলাহ (সা.) বলেন- বেহেশতে প্রবেশের পর যারা (পৃথিবীতে) কুরআন পড়ত, তাদেরকে বলা হবে- কুরআন পাঠ কর এবং কুরআন পাঠ করতে করতে উপরের দিকে উঠতে থাক। তারা প্রত্যেক আয়াতের বিনিময়ে এক একটি সিঁড়ি অতিক্রম করতে থাকবে। এভাবে কুরআন পাঠ শেষ হওয়া পর্যন্ত চলতে থাকবে।
আহমদ আবূ সাঈদ আল খুদরী (রা.)-এর সূত্রে বর্ণনা করেন যে, ...বিস্তারিত
কুরআন শরীফ তিলাওয়াতের আদব
মাওলানা মুহাম্মদ হবিবুর রহমান
সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ আসমানী কিতাব আল কুরআনুল কারীম। এর তিলাওয়াতের মধ্যে রয়েছে অসংখ্য ফযীলত। আলাহ পাক ইরশাদ করেন-
ان الذين يتلون كتاب الله واقاموا الصلاة وانفقوا مما رزقناهم سراوعلانية يرجون تجارة لن تبور- ليوفيهم اجورهم ويزيدهم من فضله
অর্থাৎ- “যারা আলাহর কিতাব তিলাওয়াত করে, নামায কায়েম করে, আমি তাদের যে রিযক দিয়েছি তা থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে, ...বিস্তারিত
আল কুরআন : দ্যা চ্যালেঞ্জার
মোহাম্মদ নজমুল হুদা খান
আশরাফুল মাখলুকাত হিসেবে মানব জাতিকে সৃষ্টি করে তাদের সঠিক পথ প্রদর্শনের জন্য আলাহ পাক যুগে যুগে নবী-রাসূল প্রেরণ করেছেন। আর যুগের চাহিদা অনুসারে তাঁদেরকে দিয়েছেন আসমানীগ্রন্থ। স্বভাবতই সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর উপর নাযিল হয়েছে সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ আল কুরআন। বিষয় বৈচিত্র, স্বকীয়তা, অনুপম রচনাশৈলী, প্রকাশ ভঙ্গির স্বাতন্ত্র্য, সহজ ও সুন্দর ও সাবলীল বাক্য বিন্যাস, অকাট্য যুক্তি প্রমাণ উপস্থাপন ইত্যাদি দিক বিবেচনায় আল কুরআন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্দেহাতীত গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত।
মহাগ্রন্থ আল কুরআনের আয়াতসমূহ সুদীর্ঘ তেইশ বছরে বিশেষ বিশেষ উপলক্ষকে কেন্দ্র করেই মহানবী (সা.)-এর উপর অবতীর্ণ হয়েছে। এতে বিভিন্ন জিজ্ঞাসার জবাব ও সমস্যার সমাধান দেয়া হয়েছে, ...বিস্তারিত
অধ্যাপক হাসান আবদুল কাইয়ূম শরী'আত তরীকত হকীকত ও...
গাউসুল আযম আবদুল কাদির জিলানীর (রহ) জীবনদর্শন...
Asmaun Nabi sm...